Books & Stationery

You have no items in your shopping cart.

Filter By Brand
Filter By Vendors
Discount Applied
Filter By Rating
 

রহস্য ও ভৌতিক

Sort by
Display per page

দ্য লেজেন্ড অফ স্লিপি হলো (হার্ডকভার)

হাডসন নদীর কাছের ছোট্ট শহর ট্যারি টাউন। এখানকার লোকেরা বেজায় আলসে। ভূতুড়ে গাল-গল্প ছড়াতে এদের জুড়ি নেই। কাছাকাছি অবস্থিত ‘স্লিপি হলো’ নামের এক উপত্যকাতে নাকি নানান ভূত-প্রেতরা ঘুরে বেড়ায়। আর তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো, ‘মুণ্ডুহীন ঘোড়সওয়ার’। সে নাকি এক হেসিয়ান সৈনিকের প্রেত, যুদ্ধের সময়ে কামানের গোলাতে যার মাথাটা উড়ে গেছিল
শহরের স্কুল শিক্ষক ইকাবড, দরিদ্র হ্যাংলা-পেটুক লোক। মজার মজার গল্প করে, বাচ্চাদের গান শেখায় আরো কতো কী যে করে! ব্রম বোনস, এক বেপরোয়া যুবক! গায়ের জোরে তার সাথে পাল্লা দিতে পারে এমন কেউ পুরো এলাকাতে নেই। ঘোড়া চালাতেই ওর জুড়ি নেই।
এই দুই মেরুর দুটো মানুষ প্রেমে পড়লো একটা মেয়ের। ধনকুবের বালটুস ভ্যান ট্যাসেলের মেয়ে সুন্দরী ক্যাট্রিনা ভ্যান ট্যাসেল! 
আর মুণ্ডুহীন ঘোড়সওয়ারের ভয়ে তো রাতের বেলা মানুষ বের হতেই চায় না… সুযোগ পেলেই নাকি একে ওকে তাড়া করে সে! এখন? কী হবে? জানতে পড়ুন ওয়াশিংটন আরভিংয়ের কালজয়ী উপন্যাসিকা ‘দ্য লেজেন্ড অফ স্লিপি হলো’, হ্যালোইনের দিনগুলোতে যা এখনো পশ্চিমা দেশের রেডিওগুলোতেও সবচেয়ে বেশি শোনানো হয়। ‘ডুলাহান’ বা ‘মুণ্ডুহীন ঘোড়সওয়ার’ কিংবদন্তিকে উপজীব্য করে লেখা সবচেয়ে বিখ্যাত কাজও এটিই। কাহিনিটা আপনাকে যতোটা না ভয় পাওয়াবে তারচেয়ে বেশি পরিচয় করিয়ে দেবে সেকালের আমেরিকার কিছু উদ্ভট রীতির সাথে।
পড়ুন আর ভাবুন... গল্পটা আসলে কার?




ভাসানবাড়ি (পেপারব্যাক)

ভাসানবাড়ি — আজ থেকে দুশো বছর আগে এক জ্যোতির্বিজ্ঞানীর তৈরি এক রহস্যময় স্থাপত্য। তার আগে একটা পুকুর ছিল এখানে। গোটা গ্রামের লোক ঠাকুর বিসর্জন দিত তাতে। সেটাকে বলা হত ভাসানপুকুর, সেখান থেকে ভাসানবাড়ি। লোকে বলে সেই পুকুরটার আত্মা এই বাড়ির ভিতরেও সঞ্চারিত হয়েছে। এই বাড়িটাও মানুষকে ভাসিয়ে নিয়ে যায় অন্তিমের দিকে। ভাসানের দিকে… কিন্তু সত্যি অন্তিম বলে কিছু হয় কি? কে বলতে পারে মাটি গলে, রঙ উঠে গিয়ে নদীর অপরপ্রান্তে যখন খড়ের কাঠামোটা পৌছায়, তখন কেউ অপেক্ষা করে না তার জন্য? কেউ আবার নিজের মতো করে সাজিয়ে নেয় না তাকে? মরে যাবার আগে শশাঙ্কমোহন বলেছিলেন হ্যালির ধূমকেতুর মতো এই বাড়িতেও নির্দিষ্ট সময় পরে ফিরে ফিরে আসে কোনো মানুষ। কে সে? এ বাড়ির ছাদ থেকে দেখা যায় অচেনা আকাশ, সত্যি কি সময়ের নিয়ম মানে না বাড়িটা? কিন্তু কীভাবে? রহস্য আর সময়ের চাদর মুখে টেনে কাদের অপেক্ষায় থাকে ভাসান বাড়ি?




ডোপামিন ডিটক্স

কাজে গড়িমসি করে যাচ্ছেন? অস্থির লাগছে, মন বসাতে পারছেন না কাজে? গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যের ক্ষেত্রে উৎসাহ পাচ্ছেন না?

যদি তাই হয়ে থাকে, আপনার প্রয়োজন ডোপামিন ডিটক্স বা ডোপামিন বিষমুক্তকরণ ।

বর্তমান বিশ্বে সর্বত্র রয়েছে চিত্তবিক্ষেপের উপকরণ, ফলে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো পেছনে পড়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। লক্ষ্য ভুলে আমাদের তখন মনে হয়, যাই একটু হেঁটে আসি। কিংবা এক কাপ কফি পান করি। বা দেখি তো, কী এসেছে ইমেইলে? আর এইসব তখন এতটাই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় যে আমরা আমাদের সত্যিকার লক্ষ্যের কথা বেমালুম ভুলে যাই।

কী, উপরের এই পরিস্থিতির সাথে নিজের মিল পাচ্ছেন তো?

যদি তাই হয়, ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। আপনি স্রেফ অতি উদ্দীপিত হয়ে আছেন। আর সে কারণেই আপনার প্রয়োজন ডোপামিন বিষমুক্তকরণ।

সেক্ষেত্রে এই বইটি হতে পারে আপনার পথপ্রদর্শক। তবে চলুন, ঘুরে আসা যাক….

 

ভাসানবাড়ি (প্রিমিয়াম হার্ডকভার)

ভাসানবাড়ি — আজ থেকে দুশো বছর আগে এক জ্যোতির্বিজ্ঞানীর তৈরি এক রহস্যময় স্থাপত্য। তার আগে একটা পুকুর ছিল এখানে। গোটা গ্রামের লোক ঠাকুর বিসর্জন দিত তাতে। সেটাকে বলা হত ভাসানপুকুর, সেখান থেকে ভাসানবাড়ি। লোকে বলে সেই পুকুরটার আত্মা এই বাড়ির ভিতরেও সঞ্চারিত হয়েছে। এই বাড়িটাও মানুষকে ভাসিয়ে নিয়ে যায় অন্তিমের দিকে। ভাসানের দিকে… কিন্তু সত্যি অন্তিম বলে কিছু হয় কি? কে বলতে পারে মাটি গলে, রঙ উঠে গিয়ে নদীর অপরপ্রান্তে যখন খড়ের কাঠামোটা পৌছায়, তখন কেউ অপেক্ষা করে না তার জন্য? কেউ আবার নিজের মতো করে সাজিয়ে নেয় না তাকে? মরে যাবার আগে শশাঙ্কমোহন বলেছিলেন হ্যালির ধূমকেতুর মতো এই বাড়িতেও নির্দিষ্ট সময় পরে ফিরে ফিরে আসে কোনো মানুষ। কে সে? এ বাড়ির ছাদ থেকে দেখা যায় অচেনা আকাশ, সত্যি কি সময়ের নিয়ম মানে না বাড়িটা? কিন্তু কীভাবে? রহস্য আর সময়ের চাদর মুখে টেনে কাদের অপেক্ষায় থাকে ভাসান বাড়ি?




কাউরীবুড়ির মন্দির

বইটিতে চারটি কাহিনী আছে। বেশ বড় – বড় আকারের কাহিনী। আজকালকার পত্রিকাগৃহের ভাষায় মিনিমাম ‘নভেলা’ বলাই চলে। ঠগিদের কথা বাংলা পাঠকেরা অনেকেই জানেন। সেই ঠগিদের নিয়েই অভীক লিখেছেন তাঁর প্রথম অতিপ্রাকৃত কাহিনী “শোধ”। সুন্দরভাবে টেনে এনেছেন প্রায় কিংবদন্তীসম নায়ক স্লীম্যানকে। ভারতের ইতিহাস থেকে ছেঁকে তুলে এনেছেন নির্ভুল তথ্য। কোথাও মনে হয় না পান্ডিত্য ভর করে আছে লেখকের কলমে অথচ পড়লেই মনে হয় লেখকের চর্চা অতুলনীয়। ভয় জেঁকে বসে তন্ত্রসাধনার মারণ – উচাটনের দ্বারা। কেউ প্রথম গল্প হিসাবে এত সাংঘাতিক বিবরণ দিতে পারেন এটা ভাবাই কঠিন। আমরা বাঙালিরা তন্ত্র, তান্ত্রিক ইত্যাদি শুনলে যা বুঝি সেই ধারণাকে নস্যাৎ করে তন্ত্রের আগমনের ইতিহাসের সুতোয় জাল বুনেছেন লেখক ২য় গল্পে। পালরাজাদের সময়কালের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে বহু বছর ধরে ঘটে আসা এক অমোঘ অভিশাপ। একটি পরিবারের কাছে আছে একটি ফলক। সেই ফলক কারও জীবনে আনবে মৃত্যু। কিন্তু কার? কীভাবে নিয়তি তাকে বাধ্য করবে? একটা চক্র পূর্ণ হবার অপেক্ষায় আছেন মহাকাল। ৩য় গল্পটি একটি সুপারন্যচারাল থ্রিলার। ডামরী নামক অপদেবী কীভাবে গ্রাস করতে আরম্ভ করে এক ব্যক্তিকে তা যে ভয়াল পরিবেশ বিবরনের মধ্যে দিয়ে লে খক তুলে ধরেছেন সেই নিয়ে যা-ই বলব, মনে হবে কম হয়ে গেল। ৪র্থ গল্পটি হল একটি আন্তর্জাতিক মানের লেখা, অসাধারণ ভাষাশৈলীর লেখা, দুর্দান্ত রিসার্চ বেসড লেখা। বেতালকে নিয়েই একটি অদ্ভুত ভয়াল কাহিনী ফেঁদেছেন লেখক। বেতাল এখানে রুদ্রের সহচর গোত্রের। বেতাল মন্দিরের পূজারীর উপরে নেমে আসে ইনকুইজিটরের কোপ। কিন্তু সেটা কি কেবলই ইনকুইজিশন ফলাতে? নাকি তার পিছনে ছিল কোনও গূঢ় রহস্য? কীসের অন্বেষণ? গল্পটাকে প্যারালাল ভাবে কয়েকটা কালখণ্ডে খেলিয়েছেন লেখক। কালাশ জনজাতির আফগান এলাকা, আইসল্যান্ড, পর্তুগাল, ভারত …. কিন্তু জগাখিচুড়ি নয় স্তরে – স্তরে সাজানো বিরিয়ানির মতই সুস্বাদু লেখা। কখন যে গল্পটা ভয়ের গ্রাসরূপী কৃষ্ণশাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার আকুল বেদনাগাথা হয়ে ওঠে তা বোঝাই যায় না।


কালীগুণীন ত্রাহি মাম (হার্ডকভার)

গল্পের সারাংশ:
কালীগুণীন এবং বাঘের থাবাঃ দেবেন্দ্র জমিদার হলেও হরেক রকম পরীক্ষা নিরীক্ষার পাগলামি রয়েছে তাঁর। একখানা প্রাচীন পুথির সন্ধান পেয়ে দেবেন্দ্র আবিষ্কার করে ফেলল এক রহস্যময় আরক! যে আরকের দুর্নিবার প্রভাবে আমূল পরিবর্তন ঘরে মানব শ্রীরে। কী সেই পরিবর্তন? হাতকাটা সাধু কেন নিজের পূর্ণশক্তির প্রয়োগ করে ঝাঁপিয়ে পড়ল এই আরকের সন্ধানে?
কালীগুণীন এবং রাহুর গ্রাসঃ সুন্দরবনের একখানা অখ্যাত গাঁয়ে খননকার্য চালাতে গিয়ে উঠে এল একখানা আস্ত প্রাসাদ! প্রাসাদ, নাকি পুরাকালের কোনও কারাগার? কে বন্দি ছিল সেই অন্ধকূপে? এরপরেই গ্রামে শুরু হয় পরপর ভয়ানক নরমেধের পালা…
আপাই–নরমেধে আহূতি আবারঃ ডাকিনীর বিল গ্রামে হানা দিল এক অতি ভয়ঙ্কর বিপদ! তীক্ষ্ণ, ক্ষুরধার মেধার এই নৃশংস হত্যাকারী সহস্র রকমের ভেক ধরে, ছলে ভুলিয়ে হত্যা করে গাঁয়ের লোকদের। এক অসামান্য প্রাচীন বিদ্যা, যা আমূল বদলে দিতে পারে পৃথিবীকে। কালীপদ মুখুজ্জে কি পারল দ্বিতীয়বার সেই আপাইয়ের মোকাবেলা করে এই নরমেধকে বন্ধ করতে?
কালীগুণীন এবং বাঘামূড়ার আতঙ্কঃ বাঘের হাতে মানুষের মাথা আর ধর বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে সেই দেহে জন্ম নেয় কারা? আরম্ভ হল সাতখানা গাঁ জুড়ে এক নৃশংস নরবাঘের তান্ডব! সে ছলে বলে কৌশলে আরম্ভ করল নৃশংস নরহত্যা। কালীগুণীন কীভাবে লড়বে এই মানুষ আর বাগ-মানুষের মধ্যেকার অসম যুদ্ধ?
কালীগুণীন এবং ছিন্নমস্তার পুথঃ গণপতি কবিরাজ সুদূর পর্বতের কোনও এক গাঁ-এ সন্ধান পায় এক মহা আশ্চর্য বিদ্যার যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভিত নড়িয়ে দিতে সক্ষম! কী সেই বিদ্যা? সেই সাত রাজার ধন পুথিকে হস্তগত করতে আক্রমণ করল এক নরপিশাচ। কালীগুণীন কি পারবে সেই অসম্ভব ধূর্ত নররাক্ষসকে নিজের কূটনৈতিক বুদ্ধি দ্বারা পরাস্ত করতে?

কালীগুণীনের কিস্তিমাত ২ (হার্ডকভার)

গল্পের সারাংশ
কালীগুণীন এবং দানবের মণিঃ এক পৌরাণিক দিব্যবস্তু, যাকে যুগ যুগ ধরে মানবসভ্যতা অলীক বলে ভেবে এসেছে। অথচ যার সন্ধানে আদিকাল থেকেই মুনি-ঋষি, দেব, দানব ও মানুষেরা ঘুরে বেরিয়েছে হাজার হাজার বছর ধরে। কালীগুণীন কি পারবে সেই পৌরাণিক রহস্য উদ্ধার করতে?
কালীগুণীন এবং করালদংষ্ট্রা রহস্যঃ পুরাণে যে মহা মারণাস্ত্রের নাম শোনা মাত্র দেবতা, দানব, যক্ষ, রক্ষ, পিশাচ, দৈত্য সকলে কাঁপতে কাঁপতে হাত জোড় করে বসে পড়ে, সেই মহামারী অস্ত্রের একটা অংশ হঠাৎ মানবসভ্যতায় উন্মুক্ত হয়ে পড়ল এক পুরাতাত্ত্বিক খননকার্যের ফলে আরম্ভ হল নরমেধের পালা। তারপর?
কালীগুণীন এবং ভস্মাসুরের শাপঃ এক প্রলয়ংকরী মহাবিদ্যা ‘বজ্রসম্ভব’ -এর সন্ধান পেয়ে কাপালিক চন্ড হয়ে উঠল আপরাজেয়। তাঁর গুরুর আশীর্বাদ, অপরের হাতে কখনও মরবে না সে। কালীগুণীন কি পারবে সেই অদম্য শক্তির আধার চন্ডকে পরাস্ত করতে।
কালীগুণীন এবং পঞ্চবান রহস্যঃ এক ধূর্ত তান্ত্রিকের অভিনব মারণ কৌশল এবং অনন্তর পরিবারকে রক্ষা করতে কালীগুণীনের অমোগ কূটবুদ্ধির লড়াই কি শেষ অবধি পারবে পঞ্চবাণের আশ্চর্য রহস্য ভেদ করতে? যখন অপশক্তির হাতে জীবনীশক্তি পরাস্ত হতে আরম্ভ করে… অশরীরী অপদেবতার হিংস্র থাবা গ্রাস করতে থাকে গ্রাম-তালুক-শহর… অপরাগ মানুষ অসহায়ভাবে অপেক্ষা করতে থাকে মৃত্যুর… ঠিক তখনই আবির্ভুত হন… পিশাচের যম… অপশক্তির সাক্ষাৎ শমন… এক ব্রাহ্মণ… নাম কালীপদ মুখুজ্জে… নিবাস রায়দীঘড়া।

ISI : পাকিস্তানের ভেতর আরেক পাকিস্তান (হার্ড কাভার)

ISI : পাকিস্তানের ভেতর আরেক পাকিস্তান
সিআইএ, RAW, সাভাক, কেজিবি ও অন্যান্য প্রমুখ ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির সাথে আইএসআই-র সম্পর্কের উপরও আলোকপাত করেছে; আর সন্ত্রাসী উপাদান ও সন্ত্রাসী সংগঠনের ব্যাপারে বলাই বাহুল্য। বইটি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও বিভিন্ন প্রদেশে আইএসআই-র প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তারের বিষয়টিও তুলে ধরেছে।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তৎকালীন Deputy Chief of Staff ব্রিটিশ অফিসার মেজর জেনারেল রবার্ট কাউথর্ন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তানের Inter-Services Intelligence (ISI) বছরের পর বছর ধরে অনুন্নত ও অখ্যাত সংস্থা ছিল। উল্লেখ্য, ১৯৪৭-৪৮ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে আইএসআই গঠিত
হয়। ১৯৭৯ সালে আফগানিস্তানে সোভিয়েত যুদ্ধের সময় সংস্থাটির ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব অনুভূত হয়েছিল কারণ সংস্থাটি মুজাহিদিন প্রতিরোধকে সমর্থন করার জন্য সিআইএ-র সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করেছিল। কিন্তু সংস্থাটির কার্যক্রম সংবাদ মাধ্যমে কভারেজ পায়নি বললেই চলে।
এরপর থেকে ১৯৮৮ সালে আইএসআইয়ের ভারতীয় কাশ্মীরে জড়িত থাকার বিষয়টি ক্রমবর্ধমান তদন্তের আওতায় আসে এবং ১৯৯৫ সাল নাগাদ আফগানি তালেবানকে আইএসআইয়ের তরফ থেকে পরামর্শ দেওয়ার বিষয়টিও ভালোভাবে প্রমাণিত হয়েছিল। কিন্তু আল কায়েদার সাথে সংস্থাটির কথিত যোগসূত্র এবং
পাকিস্তানের সামরিক অঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র অ্যাবোটাবাদে উসামা বিন লাদেনকে আবিষ্কার যা সত্যিই আইএসআই-কে স্পটলাইটের নিচে নিয়ে আসে। ১৯৯৮ সালে পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষায় আইএসআইয়ের ভূমিকা এবং আবদুল কাদির খানের সাথে আইএসআইয়ের যোগসূত্রসহ নানান বিতর্ক আইএসআই-কে
হতাশায় ডুবিয়েছিল। অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ও মুখ্য ব্যক্তিদের প্রগাঢ় জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এজেন্সি হিসেবে আইএসআই সম্পর্কে নতুন অন্তর্দৃষ্টি দেওয়াই হলো এই বইয়ের মূল লক্ষ্য। এই চমকপ্রদ বইটি পাকিস্তানের সিক্রেট সার্ভিসের এতদিনের রহস্যময় জগতকে
উন্মোচন করবে।